SIR: Calcutta High Court directs SIR tribunal to decide pending Haj pilgrims’ applications within two weeks

SIR: হজযাত্রীদের ঝুলে থাকা আবেদন দ্রুত মেটানোর নির্দেশ, ট্রাইব্যুনালকে ২ সপ্তাহ সময় কলকাতা হাইকোর্টের

কলকাতা, ২৮ সেপ্টেম্বর: এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া অথবা নাম সংক্রান্ত আবেদন বিবেচনাধীন থাকায় হজযাত্রা নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকা আবেদনকারীদের স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। হজযাত্রীদের দায়ের করা আবেদন দ্রুত শুনে নিষ্পত্তির জন্য এসআইআর আপিল ট্রাইব্যুনালকে নির্দেশ দিল আদালত। সোমবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও জানান, ধর্মীয় যাত্রার ক্ষেত্রে যাতে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কোনও বাধা তৈরি না হয়, সে জন্য সম্ভব হলে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট আবেদনগুলি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

রাজ্যে এসআইআর চলাকালীন ভোটার তালিকায় তথ্যগত অসঙ্গতি, নাম সংযোজন ও বাদ দেওয়া নিয়ে তৈরি সমস্যার সমাধানে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে বিশেষ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু ট্রাইব্যুনালে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়ায় শুনানি ও নিষ্পত্তির গতি নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় হজযাত্রীদের একাংশ পাসপোর্ট সংশোধন এবং হজের ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েন। প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেও দীর্ঘদিন শুনানি না হওয়ায় তাঁদের যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

আরও পড়ুন : Bengal SIR-এ ভোটার বাদ গেলেও বদলায়নি বাংলার ভোটের ফল! সুপ্রিম কোর্টে দাবি নির্বাচন কমিশনের

এসআইআর আপিল ট্রাইব্যুনালের কাজের গতি নিয়ে গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টে তথ্য দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে মোট ৩৮ লক্ষ ৩১ হাজার ৪২৯টি আবেদন জমা পড়েছিল। তার মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ১ লক্ষ ২৬ হাজার ১৯৪টি। অর্থাৎ প্রায় ৩৭ লক্ষ ৫ হাজার ২৩৫টি আবেদন তখনও সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিল।

বর্তমান গতিতে কাজ চললে সমস্ত আবেদন নিষ্পত্তি করতে ১২ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে হজযাত্রীদের আবেদনকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত শুনানি ও সিদ্ধান্তের জন্য হাইকোর্টের নির্দেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের পাসপোর্ট ও ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা মেটানোর পথও কিছুটা সহজ হতে পারে।

আরও পড়ুন : RSS মহালয়ার মধ্যে বাংলায় আরএসএসের ১০ হাজার শাখার লক্ষ্য, বাড়ছে সাংগঠনিক তৎপরতা