South Korea Rejects Trump Pressure to Join Iran War, Keeps Hormuz Role Limited

South Korea ট্রাম্পের চাপে নতি স্বীকার নয়, ইরান যুদ্ধে সেনা পাঠাবে না দক্ষিণ কোরিয়া

ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আমেরিকার পাশে সামরিকভাবে দাঁড়ানোর জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার উপর চাপ বাড়ালেও সেই পথে হাঁটছে না সিওল। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানের মধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এমন কোনও সেনা মোতায়েন করা হবে না, যাতে তাঁর দেশ সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া কোনওভাবেই এমন সেনা বা সামরিক সরঞ্জাম পাঠাবে না, যা ইরান সংঘাতে তাদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের দিকে নিয়ে যেতে পারে। তাঁর কথায়, বিদেশি সংঘাতে জড়িয়ে পড়া এড়ানোর নীতি ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের স্বার্থ থেকে পুরোপুরি সরে যাচ্ছে সিওল। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ, অপরিশোধিত তেল পরিবহণ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমিত ভূমিকা বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সোমালিয়ার উপকূলের কাছে জলদস্যু দমনে দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনীর ‘চেওংহে’ ইউনিট ইতিমধ্যেই মোতায়েন রয়েছে।

ইরান যুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ার ভূমিকা যথেষ্ট নয় বলে আগে একাধিকবার অভিযোগ করেছেন ট্রাম্প। এর মধ্যে আমেরিকা ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া নিয়েও টানাপড়েন তৈরি হয়েছে। ফলে ওয়াশিংটন-সিওল সম্পর্কের পাশাপাশি হরমুজ ঘিরে দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ট্রাম্প-কিম বৈঠকের সম্ভাবনা

এরই মধ্যে উত্তর কোরিয়া প্রসঙ্গেও বড় বার্তা দিয়েছেন লি। তাঁর দাবি, ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে ফের আলোচনায় বসতে আগ্রহী। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে দু’জনের বৈঠক সম্ভব হলেও তার জন্য একাধিক বিষয়ের সমন্বয় প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তিনি। সিওলও ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে ফের সংলাপের সুযোগ তৈরিতে কাজ করছে।

তবে ট্রাম্পের আহ্বানে পিয়ংইয়ংয়ের তরফে এখনও উল্লেখযোগ্য সাড়া মেলেনি। ফলে একদিকে ইরান যুদ্ধে সামরিক অংশগ্রহণ এড়িয়ে চলা, অন্যদিকে উত্তর কোরিয়াকে ঘিরে কূটনৈতিক সংযোগ বজায় রাখা—দুই দিকেই সতর্ক অবস্থান নিয়েছে সিওল।