US Proposes 48 F-35 Fighter Jets for Saudi Arabia Amid Israel and China Concerns

Saudi Arabia : সৌদিকে ৪৮টি F-35 যুদ্ধবিমান দিচ্ছে আমেরিকা, চীনের ‘গুপ্তচরবৃত্তি’ নিয়ে উদ্বেগ

মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। সৌদি আরবের কাছে ৪৮টি অত্যাধুনিক F-35 যুদ্ধবিমান বিক্রির প্রস্তাব মার্কিন আইনপ্রণেতাদের কাছে পাঠিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। প্রায় ২,৪৩০ কোটি ডলারের এই প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে আমেরিকা ও ইজরায়েলে। বিশেষ করে সৌদি আরবের সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের বক্তব্য, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে ন্যাটোর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিত্র সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কৌশলগত স্বার্থও সুরক্ষিত হবে। ওয়াশিংটনের দাবি, সৌদিকে F-35 দেওয়ার সিদ্ধান্তের ফলে ইজরায়েলের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখার নীতিতেও কোনও পরিবর্তন হবে না।

তবে আপত্তি উঠেছে মার্কিন গোয়েন্দা মহলে। ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর প্রতিবেদনের দাবি, সৌদি আরবের সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে বেজিং F-35-এর অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষকেরা।

চুক্তির বিরোধিতা করেছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের গোয়েন্দা কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্য রাজা কৃষ্ণমূর্তিও। তাঁর বক্তব্য, সৌদির হাতে F-35 গেলে মার্কিন সামরিক প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চীনের নাগালে পৌঁছনোর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এদিকে ইয়েমেনে হুথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাতের মধ্যেই এই ঘোষণা সামনে এসেছে। সম্প্রতি হুথিরা সৌদির একটি F-15 যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে। যদিও হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখনও সতর্ক অবস্থানেই রয়েছে ওয়াশিংটন।

মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে শুধু ইজরায়েলের কাছেই F-35 যুদ্ধবিমান রয়েছে। সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরেই এই যুদ্ধবিমান কেনার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। ফলে প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিরক্ষা সমীকরণে তা নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।