The NewsNest Desk: দুর্গাপুজো উপলক্ষে বাংলাদেশে এবার টানা পাঁচ দিন সরকারি ছুটি। দুর্গাপুজোর সঙ্গে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কঠিন চীবর দান উৎসবকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মীয় ট্রাস্টের জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকায় এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুর্গাপুজোর ছুটি এক দিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে ২০ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আদালত বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে নবমী ও বিজয়া দশমীর সরকারি ছুটির পাশাপাশি ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবারও ছুটি থাকবে। এরপর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি মিলছে।
বাড়ল হিন্দু-বৌদ্ধ ধর্মীয় ট্রাস্টের বরাদ্দ
দুর্গাপুজো এবং বৌদ্ধদের কঠিন চীবর দান উৎসবের জন্য সংশ্লিষ্ট দুই ধর্মীয় ট্রাস্টকে অতিরিক্ত এক কোটি টাকা করে দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সূত্রের খবর, দুর্গাপুজোর জন্য হিন্দু ধর্মীয় ট্রাস্টের পক্ষ থেকে চার কোটি টাকা এবং কঠিন চীবর দান উৎসবের জন্য বৌদ্ধ ধর্মীয় ট্রাস্টের পক্ষ থেকে দুই কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি জানানো হয়েছিল। তার পরিবর্তে দুই ট্রাস্টের জন্যই অতিরিক্ত এক কোটি টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃগোষ্ঠীবিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
২০ থেকে ২৪ অক্টোবর ছুটি
বাংলাদেশ সরকারের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি রয়েছে। পরদিন ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমীর জন্য সাধারণ ছুটি। আগে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সরকারি অফিস ও আদালত খোলার কথা ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে ২২ অক্টোবরও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তার পরের দুই দিন ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। ফলে সরকারি কর্মী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং আদালতের ক্ষেত্রে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, দুর্গাপুজোয় অতিরিক্ত এক দিনের সরকারি ছুটি এবং হিন্দু-বৌদ্ধ ধর্মীয় উৎসবের জন্য বাড়তি আর্থিক বরাদ্দ—দুই সিদ্ধান্তই প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে নেওয়া হয়েছে। সরকারি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বরাদ্দ করা অর্থ বিভিন্ন পূজা কমিটির মধ্যে বণ্টন করা হবে। ফলে এবারের দুর্গাপুজোয় বাংলাদেশে শুধু ছুটির পরিমাণই বাড়ল না, উৎসব আয়োজনের জন্য সরকারি সহায়তার পরিমাণও বৃদ্ধি পেল।