Durga Puja Fashion: How to identify authentic Katdana Jamdani sarees and discover two more trending saree styles for Durga Puja 2026.

Durga Puja Fashion: পুজোর হটকেক কাটদানা জামদানি কিনছেন? নকল এড়াতে এই ৪টি বিষয় অবশ্যই দেখুন

The NewsNest Desk:  দুর্গাপুজো মানেই নতুন পোশাক। আর পুজোর সাজে শাড়ির আলাদা একটা জায়গা বরাবরই রয়েছে। সারা বছর কাজের ব্যস্ততায় জিনস-টপ, কুর্তি কিংবা সালোয়ারে দিন কাটলেও পুজো এলেই শাড়ির প্রতি টান যেন নতুন করে বেড়ে যায়। এ বছর সেই তালিকায় বেশ উপরের দিকেই রয়েছে কাটদানা জামদানি। পাশাপাশি নজর কেড়েছে মিরর ওয়ার্কের শাড়িও। তবে শাড়ি কেনার সময় ফ্যাশনের পাশাপাশি আসল-নকল চিনে নেওয়াটাও জরুরি।

বিশেষ করে কাটদানা জামদানি দেখতে সুন্দর হলেও বাজারে একই ধরনের নকল শাড়িও রয়েছে। তাই পছন্দের শাড়ি কেনার আগে কয়েকটি বিষয় দেখে নেওয়া ভালো।

কাটদানা জামদানি আসলে কী?

সাধারণ জামদানির তুলনায় কাটদানা জামদানির বিশেষত্ব তার কাজেই। জামদানির সূক্ষ্ম নকশার সঙ্গে এতে কারদানা বা কাটদানা, কাচ এবং পুঁতির কাজ করা হয়। ফলে শাড়িতে একটা ঝলমলে অথচ ঐতিহ্যবাহী লুক তৈরি হয়। গায়িকা দেবলীনা নন্দীর মতো তারকার সাজেও দেখা গিয়েছে এই ধরনের শাড়ি।

রঙের ক্ষেত্রেও রয়েছে বিস্তর বৈচিত্র্য। হালকা প্যাস্টেল থেকে শুরু করে গাঢ় রং—সবই পাওয়া যাচ্ছে। কাজের পরিমাণ অনুযায়ী দামও বদলায়। বাজারে প্রায় দু’হাজার টাকা থেকে এই ধরনের শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন : Louis Vuitton: দেখে মনে হবে মোজা পরা পা, লুই ভিতোঁ’র এই জুতোর দাম জানেন?

আসল কাটদানা জামদানি চিনবেন কীভাবে?

প্রথমেই দেখুন শাড়ির ওজন। আসল কাটদানা জামদানি সাধারণত খুব ভারী হয় না। তাই হাতে নিয়ে দেখলে তার হালকাপনা বোঝা যায়। অত্যধিক ভারী মনে হলে শাড়িটির উপকরণ সম্পর্কে বিক্রেতার কাছে জেনে নেওয়া ভালো।

সুতোতেও রয়েছে বড় পার্থক্য। নকল জামদানিতে অনেক সময় সিন্থেটিক বা পলিয়েস্টার সুতো ব্যবহার করা হয়। সেগুলি তুলনায় শক্ত ও খসখসে হতে পারে। আসল জামদানি সাধারণত নরম অনুভূত হয়। তাই শাড়ি কেনার আগে কাপড়টি হাতে ছুঁয়ে দেখা জরুরি।

সামনের এবং পিছনের দিকটাও দেখুন। আসল জামদানির নকশা দুই দিকেই প্রায় একই রকম বা আয়নার প্রতিচ্ছবির মতো দেখা যায়। শুধু সামনের দিকটা সুন্দর হলেই সেটিকে আসল ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল শাড়ির নকশার কাজ। জামদানিতে সাধারণত সুতো কেটে বা ঘুরিয়ে নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়। ফলে শাড়ির নিচের দিকে ছোট ছোট সুতো টানা থাকার মতো দেখতে পাওয়া যায়। সেলাইয়ের মতো এবড়োখেবড়ো বা আলাদা করে জোড়া লাগানো কাজ দেখা গেলে সতর্ক হওয়া ভালো।

কাটদানা জামদানির পাশাপাশি এ বছর নজর কেড়েছে মিরর ওয়ার্কের শাড়ি। আর্ট সিল্কের উপর করা মিরর ওয়ার্ক শাড়ি বেশ জমকালো। পুজোর অষ্টমীর সন্ধ্যা কিংবা বিশেষ কোনও অনুষ্ঠানের সাজে এই ধরনের শাড়ি বেশ মানানসই হতে পারে। অনলাইন এবং অফলাইন—দুই জায়গাতেই মিলছে নানা ডিজাইন। ঐতিহ্যবাহী ধনেখালি শাড়িও এ বছর পুজোর বাজারে নিজের জায়গা ধরে রেখেছে। সুতির এই শাড়ি যেমন আরামদায়ক, তেমনই তার সঙ্গে মিরর ওয়ার্ক যোগ হলে সাজে আসে অন্যরকম আভিজাত্য। দৈনন্দিন পরার পাশাপাশি পুজোর দিনেও বেছে নিতে পারেন এই ধরনের শাড়ি। দামও তুলনামূলকভাবে নাগালের মধ্যে—প্রায় এক হাজার টাকার মধ্যে এমন শাড়ি পাওয়া যেতে পারে।

পুজোর কেনাকাটির সময় যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে নতুন শাড়ির চাহিদা। তাই শুধু ট্রেন্ড দেখে শাড়ি না কিনে কাপড়, কাজ, ওজন এবং নকশার ফিনিশিং—সবকিছু দেখে তবেই পছন্দের শাড়ি কেনা ভালো। তাতে পুজোর সাজ যেমন জমবে, তেমনই নকলের জন্য অতিরিক্ত টাকা খরচ হওয়ার আশঙ্কাও কমবে।

আরও পড়ুন : Princess Diana: স্বামীর পরকীয়ার ‘বদলা’! ডায়নার সেই ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ এবার নিলামে