The NewsNest Desk: জিন্স-টপ পরে অটোয় উঠেছিলেন এক তরুণী। কিন্তু যাত্রা শুরুর পরই তাঁর পোশাক নিয়ে মন্তব্য করতে শুরু করেন চালক। ‘উত্তেজক পোশাক’ পরেছেন বলে তরুণীকে কার্যত নীতিপুলিশির পাঠ দিতে যান তিনি। আর তাতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন ওই যাত্রী। অটোচালককে সটান জানিয়ে দেন, পোশাক নিয়ে কেউ মন্তব্য করলে তাঁকে চারটে চড় মারার শিক্ষা পেয়েছেন তিনি। সেই কথোপকথনের ভিডিয়োই এখন সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। যদিও ভাইরাল ভিডিয়োটির সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ঘটনাটি কোথায় বা কবে ঘটেছে, তা-ও ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।
ভিডিয়োয় দেখা যায়, অটোচালক তরুণীর পোশাক নিয়ে আপত্তি জানাচ্ছেন। তাঁর পোশাককে ‘উত্তেজক’ বলেও মন্তব্য করতে শোনা যায় তাঁকে। পাল্টা তরুণীও চুপ থাকেননি। কেন একজন মহিলার পোশাক নিয়ে অন্য কেউ মন্তব্য করবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এক পর্যায়ে জানান, তাঁর পরিবার তাঁকে শিখিয়েছে—কেউ পোশাক নিয়ে মন্তব্য করলে চারটে চড় মারতে।
তরুণীর এই কথার পরও অটোচালককে হাসতে দেখা যায়। পুরো ঘটনাটিই ক্যামেরাবন্দি হয়েছে এবং পরে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।‘সঞ্জু’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। পোস্টের সঙ্গে লেখা হয়েছে, সমস্যাটা কোনও মেয়ের পোশাকে নয়, বরং তাঁকে দেখার মানসিকতায়। পোশাক দেখে কোনও মহিলার চরিত্র বিচার করা যায় না—এমনই বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে পোস্টে।
ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়তেই নেটমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা। অটোচালকের মন্তব্য নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। কারও মতে, কোনও মহিলার পোশাক নিয়ে তাঁকে জ্ঞান দেওয়ার অধিকার অন্য কারও নেই। আবার এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘আগে অটোচালকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করুন। তার পর কথা বলুন।’’
ভিডিয়ো ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই ফের সামনে এসেছে একটি পুরনো প্রশ্ন—একজন মহিলার নিরাপত্তা ও সম্মানের দায় কি তাঁর পোশাকের উপর চাপিয়ে দেওয়া যায়? নেটাগরিকদের একাংশের বক্তব্য, পোশাক নয়, বরং অন্যের প্রতি সম্মানজনক আচরণ নিয়েই আলোচনা হওয়া উচিত।
আরও পড়ুন : 429-foot Slim Jim: ৪২৯ ফুট লম্বা মাংসের স্ন্যাকস! ফুটবল মাঠের সমান ‘স্লিম জিম’ গড়ল বিশ্ব রেকর্ড