নয়াদিল্লি: দিল্লিতে চলা ব্রিকস সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একই ফ্রেমে ধরা দিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পরপর দু’দিন এই তিন বিশ্বনেতার একসঙ্গে ছবি প্রকাশ ও ক্ষমতাপ্রদর্শন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অতীতে এই ত্রয়ীর জোট বা ব্রিকস নিয়ে একাধিকবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে রাশিয়া ও চিনকে আমেরিকার দুই প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এদিনের এই ছবি ত্রিমাত্রিক অক্ষের এক স্পষ্ট শক্তিপ্রদর্শনের ইঙ্গিত বহন করছে।
শনিবার ১১ দেশের জোট ব্রিকস ঐকমত্যের ভিত্তিতে যে যৌথ ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছে, সেখানে নাম না করে আমেরিকার একতরফা শুল্কনীতির সমালোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়া, গাজা পরিস্থিতি এবং পহেলগাঁও হামলারও নিন্দা জানিয়েছে ব্রিকস। অতীতে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনা কিংবা ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা নিয়ে মার্কিন ট্রাম্প প্রশাসন যেভাবে হুঁশিয়ারি ও অতিরিক্ত শুল্ক চাপিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মোদী-পুতিন-শির এই ঐক্যবদ্ধ উপস্থিতি ওয়াশিংটনকে একটি জোরালো ও কৌশলগত বার্তা দিল বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।
তাছাড়া ব্রিকসের মঞ্চে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও সকলের বিকাশের বার্তা দিয়ে নয়াদিল্লি বুঝিয়ে দিল যে তারা কারও বিরুদ্ধে নয়, বরং পারস্পরিক সহযোগিতায় বিশ্বাসী।