CJI Surya Kant says courts will protect students’ right to peaceful protest

CJI Surya Kant: শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে পড়ুয়াদের অধিকার রক্ষা করবে আদালত, বললেন CJI সূর্য কান্ত

পাটনা: শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার পড়ুয়াদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় আদালত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পুলিশি দমন-পীড়নের অভিযোগের ক্ষেত্রে আদালত নীরব দর্শক হয়ে থাকবে না। শনিবার পাটনার চানক্য ন্যাশনাল ল স্কুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের সঙ্গে এক সরাসরি প্রশ্নোত্তর পর্বে এই বার্তাই দিলেন ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, প্রধান বিচারপতি পড়ুয়াদের সঙ্গে ‘আনফিল্টারড ইন্টার‌্যাকশন’-এ অংশ নেন। সেখানে এক ছাত্রী শান্তিপূর্ণ পড়ুয়া আন্দোলনের ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করেন। জবাবে সূর্য কান্ত জানান, পুলিশের হাতে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমনের অভিযোগ আদালতের সামনে এলে বিচারব্যবস্থা বিষয়টি উপেক্ষা করবে না। পড়ুয়াদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার রক্ষায় বিচারব্যবস্থার দায়বদ্ধতার কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন : Mamata-Gyanesh Kumar ‘ভ্যানিশ কুমার মাস্ট গো’, শ্রীরামপুর থেকে জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা মমতার

আর এক পড়ুয়া কলেজিয়ামে বিচারপতিদের নিয়োগের সময় ভিন্নমত থাকলে তা নথিভুক্ত করা হলেও কেন তা প্রকাশ্যে আনা হয় না, জানতে চান। প্রধান বিচারপতি বলেন, উদ্দেশ্য স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মর্যাদা ও অবস্থানের কথা বিবেচনায় রাখতে হয়। তাঁর বক্তব্য, কলেজিয়ামের কোনও নথিতে কোনও বিচারপতি সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য প্রকাশ্যে এলে তাঁর পক্ষে পরবর্তী সময়ে দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তাই স্বচ্ছতারও কিছু সীমা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শনিবারের অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে ছিলেন পাটনা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি ভি কামেশ্বর রাও, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যও। সাম্প্রতিক সময়ে হায়দরাবাদের নালসার এবং বেঙ্গালুরুর এনএলএসআইইউ-তে প্রধান বিচারপতিকে ঘিরে বিরোধের প্রেক্ষাপটে এই অনুষ্ঠানের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন : Amarinder ‘আমার মতামতই চাওয়া হয় না’, বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ অমরিন্দরের! ফের কি কংগ্রেসে ‘ক্যাপ্টেন’?

এদিন সিএনএলইউ-এর উপাচার্য ও আইন বিশেষজ্ঞ ফইজান মুস্তাফার একটি প্রস্তাবেরও প্রশংসা করেন প্রধান বিচারপতি। পাঁচ বছরের আইন শিক্ষার মধ্যে এক বছরের বাধ্যতামূলক আদালত-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ রেখে মোট একাডেমিক পড়াশোনার মেয়াদ চার বছরে নামিয়ে আনার প্রস্তাবকে তিনি ‘নতুন ও স্বাগতযোগ্য ভাবনা’ বলে উল্লেখ করেন। এর ফলে বিচারবিভাগীয় পরিষেবার পরীক্ষায় পৃথক এক বছরের প্র্যাকটিসের প্রয়োজনীয়তা তুলে দেওয়া সম্ভব হতে পারে বলে তিনি জানান।