The NewsNest Desk : দিল্লির রাজপথে রবিবার ফের বড়সড় রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা। ‘ভোটচুরি’র অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক বিরোধী নেতার। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং অখিলেশ যাদবের মতো নেতারাও উপস্থিত থাকতে পারেন। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ও যান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে দিল্লি পুলিশ।
দিল্লির রামলীলা ময়দানে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই জমায়েত চলার কথা। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধন-সহ একাধিক বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিও তুলেছেন বিরোধী নেতারা। এই কর্মসূচিকে ঘিরেই ফের এক মঞ্চে দেখা যেতে পারে ইন্ডিয়া জোটের একাধিক শীর্ষ নেতাকে।
তবে এ দিনের কর্মসূচিতে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে নিরাপত্তার জন্য এআই ক্যামেরার ব্যবহার। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লির ১৪টি জোনে মোট ২০০টি এআই ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। ওই ক্যামেরার মাধ্যমে জমায়েতের উপর সারাক্ষণ নজরদারি চালানো হবে। অর্থাৎ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের উপস্থিতিতে যে বিশাল জমায়েত হতে চলেছে, তার গতিবিধির উপরও থাকবে প্রযুক্তিনির্ভর নজর।
এ দিকে, রবিবারের কর্মসূচির জেরে মধ্য দিল্লির একাধিক রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। রাজঘাট, দিল্লি গেট, আইটিও, আজমেরি গেট, রঞ্জিত সিং ফ্লাইওভার-সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে যান ঘুরিয়ে দেওয়া হতে পারে। বাহাদুর শাহ জাফর মার্গ, রাজঘাট-জওহরলাল নেহরু মার্গ, মিন্টো রোড-সহ একাধিক রাস্তাতেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সব মিলিয়ে, ভোটার তালিকা ও নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে বিরোধীদের রাজনৈতিক লড়াই রবিবার দিল্লির রাজপথে নতুন মাত্রা পেতে চলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি এবং ২০০ এআই ক্যামেরার নজরদারি—দুই বিষয়েই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।