Seema Khanna faces questions over centralised control of voter software and ERO access

Seema Khanna: ভোটার সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ! সীমা খান্নার ‘সীমা’ নিয়ে প্রশ্ন নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই

নয়াদিল্লি: ভোটার তালিকা পরিচালনার সফটওয়্যার নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কেন্দ্রীয় ভাবে পরিচালিত ECINet এবং ERONet-এ ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা ERO-দের প্রবেশাধিকার সীমিত করার অভিযোগ উঠেছে কমিশনের ডিরেক্টর জেনারেল (আইটি) সীমা খান্নার দফতরের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী আপত্তি জানিয়েছেন বলে ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী ভোটার তালিকা তৈরি, সংশোধন এবং নাম অন্তর্ভুক্তি বা বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে ERO-দের গুরুত্বপূর্ণ বিধিবদ্ধ ভূমিকা রয়েছে। কমিশনের দুই সদস্যের আপত্তি, সফটওয়্যারের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের ফলে মাঠপর্যায়ের আধিকারিকেরা তাঁদের দায়িত্ব পালনে সমস্যায় পড়ছেন। সান্ধু লিখিত ভাবে দাবি করেছেন, DG (IT)-এর ERO-দের আইনগত ক্ষমতা সীমিত করার অধিকার নেই এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সম্পূর্ণ অ্যাক্সেস থাকা প্রয়োজন।

এই বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ গোয়া। ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসআইআর চলাকালীন ৯৭ জন ভোটারের ক্ষেত্রে স্থানীয় ERO-রা আগের সিদ্ধান্ত সংশোধন করে তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু সফটওয়্যারে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় ‘রোলব্যাক’ সুবিধা সক্রিয় না থাকায় তা করা যায়নি বলে অভিযোগ। গোয়ার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এ নিয়ে এক সপ্তাহে আটটি ই-মেল পাঠিয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি ECINet চালু করা হয়। নির্বাচন কমিশনের দাবি, নতুন এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ৪০টিরও বেশি অ্যাপ ও পোর্টালকে একটি প্রযুক্তিগত কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। সীমা খান্না এর আগে জানিয়েছিলেন, এই ব্যবস্থা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জনআস্থা বাড়াতে সাহায্য করবে। তবে কমিশনের বক্তব্য, অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ এবং গত এক বছরে নেওয়া সব চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই পূর্ণ কমিশনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে হয়েছে। ফলে এখন মূল প্রশ্ন, ভোটার তালিকার বিধিবদ্ধ ক্ষমতা এবং প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের মধ্যে সীমারেখা ঠিক কোথায়।