Bhutan PM Tshering Tobgay compares Narendra Modi with Kalki, praises his leadership and India-Bhutan ties

Bhutan PM: ‘বিশৃঙ্খলা দূর করে ধর্ম প্রতিষ্ঠা’, মোদিকে কল্কির সঙ্গে তুলনা ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর

The NewsNest Desk: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘বড় ভাই’ বলে সম্বোধন করলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। শুধু তাই নয়, বিশৃঙ্খলা দূর করা এবং ধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গে মোদিকে হিন্দু ধর্মের শেষ অবতার কল্কির সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। বুধবার একটি লেখায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব, প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার প্রশংসা করেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী।

শেরিং তোবগের বক্তব্য অনুযায়ী, ‘বিকশিত ভারত’-এর গুরুত্ব শুধু ভারতের সীমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী মোদি বরাবরই প্রতিবেশী দেশগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতের নেতৃত্বে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে। সরকারের সর্বোচ্চ পদে নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছরের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক যাত্রারও প্রশংসা করেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর স্বার্থকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার ক্ষেত্রে মোদির ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

বিশেষ করে ‘ভয়েস অফ গ্লোবাল সাউথ সামিট’ আয়োজন এবং জি-২০-তে আফ্রিকান ইউনিয়নকে স্থায়ী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগের জন্য মোদিকে কৃতিত্ব দিয়েছেন শেরিং তোবগে। তাঁর মতে, এই পদক্ষেপগুলির মাধ্যমে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বার্থ আন্তর্জাতিক আলোচনায় আরও জোরালো হয়েছে। তবে মোদিকে নিয়ে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের সবচেয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কের উল্লেখ ঘিরে। শেরিং তোবগে জানান, ২০১৯ সালে মোদির সঙ্গে তাঁর একটি স্বতঃস্ফূর্ত কথোপকথনের কথা এখনও তাঁর মনে রয়েছে। পরে ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ দিল্লিতে ফের মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

নিজের লেখায় মোদিকে ‘বড় ভাই’ হিসেবে উল্লেখ করে শেরিং তোবগে বলেন, কয়েক বছর আগে তিনি মোদিকে বিষ্ণুর অবতার হিসেবে দেখার কথা বলেছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে এ বার আরও এক ধাপ এগিয়ে বিশৃঙ্খলা দূর করা এবং ধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মোদির ভূমিকার সঙ্গে বিষ্ণুর শেষ অবতার কল্কির তুলনা করেছেন তিনি।

ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারত-ভুটান সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতার কথাও নিজের লেখায় তুলে ধরেছেন শেরিং তোবগে। তাঁর বক্তব্য, দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত যোগাযোগও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ককে মোদির বিদেশনীতি বরাবরই গুরুত্ব দিয়েছে—এই বক্তব্যের পাশাপাশি ভুটানের সঙ্গে ভারতের বিশেষ সম্পর্কের কথাও উঠে এসেছে শেরিং তোবগের লেখায়। তাঁর মন্তব্যে একই সঙ্গে মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা এবং ভারত-ভুটান বন্ধুত্বের ভবিষ্যৎ আরও মজবুত করার বার্তা রয়েছে।