Ramzan Kadyrov wins fifth term as Chechnya leader with 99.85% of the vote

৯৯.৮৫% ভোট পেয়ে পঞ্চম মেয়াদে চেচনিয়ার প্রধান রমজান কাদিরভ

গ্রোজনি: প্রায় ১০০ শতাংশ ভোট পেয়ে পঞ্চম মেয়াদে চেচনিয়ার প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন রমজান কাদিরভ। রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের হিসাবে, ২০২৬ সালের নির্বাচনে কাদিরভ পেয়েছেন ৯৯.৮৫ শতাংশ ভোট। তাঁর দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ইসমাইল দেনিলখানভ ও খালিদ নাকায়েভ পেয়েছেন মাত্র ০.০৫ শতাংশ করে ভোট।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত কাদিরভ ২০০৭ সাল থেকে চেচনিয়ার নেতৃত্বে রয়েছেন। ২০২৬ সালের এই জয় তাঁর পঞ্চম মেয়াদ নিশ্চিত করেছে। তবে সরাসরি নির্বাচনের হিসাবে এটি তাঁর তৃতীয় নির্বাচন। এর আগে ২০১৬ সালে তিনি ৯৭.৯৪ শতাংশ এবং ২০২১ সালে ৯৯.৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। এবার সেই ব্যবধান আরও বেড়ে ৯৯.৮৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন: West Bank: পশ্চিম তীরে ইসরাইলি হিংসা ও বসতি বিস্তার ‘জাতিগত নিধনের’ ঝুঁকি বাড়াচ্ছে:  গুতেরেস

চেচনিয়ায় কাদিরভের রাজনৈতিক উত্থানের পেছনে রয়েছে তাঁর বাবা আখমত কাদিরভের হত্যাকাণ্ড। ২০০৪ সালে একটি বোমা হামলায় আখমত কাদিরভ নিহত হওয়ার পর রুশ সমর্থনে ক্ষমতার কেন্দ্রে উঠে আসেন রমজান। ২০০৭ সাল থেকে তিনি উত্তর ককেশাসের এই মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলের নেতৃত্বে রয়েছেন।

পুতিনের সঙ্গে কাদিরভের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায়। ১৯৯০-এর দশকে চেচনিয়ায় সংঘাতের পর অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিনিময়ে কাদিরভকে ব্যাপক রাজনৈতিক স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধে কাদিরভ রাশিয়ার সামরিক অভিযানের প্রকাশ্য সমর্থক এবং তাঁর বাহিনী ২০২২ সাল থেকে যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে বলে তিনি নিজেই দাবি করেছেন।

আরও পড়ুন: Bilateral Meeting: আমেরিকায় বৃহস্পতিবার বৈঠক শাহবাজ-তারেকের, কোন কোন বিষয়ে কথা বলবেন পাক – বাংলদেশের প্রধানমন্ত্রী

তবে কাদিরভের ৯৯.৮৫ শতাংশ ভোট নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা অতীতে চেচনিয়ার নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সমালোচনা করেছেন। একই সময়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো কাদিরভ সরকারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর ওপর অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। কাদিরভ অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করে থাকেন এবং নির্বাচনী সমালোচনাকে তাঁর বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন।

২০২৬ সালের চেচনিয়া নির্বাচন রাশিয়ার জাতীয় সংসদ, আঞ্চলিক আইনসভা ও গভর্নর নির্বাচনের সঙ্গেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সময়ে রাশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলেও ক্রেমলিন-সমর্থিত প্রার্থীরা বড় জয় পেয়েছেন।