US court orders Trump administration to restore White House access to CNN and two media outlets

CNN : সিএনএনসহ তিন সংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসে ঢুকতে দিন, ট্রাম্পকে আদালতের নির্দেশ

ওয়াশিংটন, ২৪ সেপ্টেম্বর: সিএনএন, এমএস নাও এবং পলিটিকোর সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি ফিরিয়ে দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে নির্দেশ দিল আদালত। বৃহস্পতিবার মার্কিন ফেডারেল জেলা বিচারক টিম কেলি এই নির্দেশ দেন। তিন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া ‘সম্ভবত অসাংবিধানিক’ বলেও পর্যবেক্ষণ করেছে আদালত।

ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ওই তিন সংবাদমাধ্যম আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পর মামলাটি শুনানিতে ওঠে। বিচারক টিম কেলি প্রশাসনকে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের প্রেস পাস অবিলম্বে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি আগামী ১৪ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর না করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আপাতত হোয়াইট হাউসে সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তে আদালতের হস্তক্ষেপ কার্যকর হল।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর সিএনএন, এমএস নাও এবং পলিটিকোর সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে আদালতে সেই যুক্তি গ্রহণ করেননি বিচারক।

টিম কেলি বলেন, সাংবাদিকদের প্রেস পাস বাতিল করলে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা হবে—এমন কোনও তথ্যপ্রমাণ আদালতের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি। একইভাবে প্রেস পাস ফিরিয়ে দিলে জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এমন প্রমাণও নেই বলে জানান তিনি।

হোয়াইট হাউস বনাম সংবাদমাধ্যম—এই সংঘাত অবশ্য নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রকাশ্য বিরোধ রয়েছে। এবার সেই বিরোধ আইনি লড়াইয়ে গড়িয়েছে।

এর আগে সিএনএন-সহ ওই তিন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ‘ভুয়া খবর’ প্রকাশের অভিযোগ তুলেছিলেন ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে প্রতিবেদন করার সময় সংবাদমাধ্যমগুলিকে ‘মিথ্যা ও মনগড়া’ তথ্য প্রকাশের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। যদিও সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলি ট্রাম্পের অভিযোগের বিষয়ে আদালতে আপত্তি জানিয়েছে।

ট্রাম্প ভবিষ্যতে আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন। প্রশ্ন করা হলে তিনি ওয়াশিংটন পোস্ট এবং নিউইয়র্ক টাইমসের নাম উল্লেখ করেন। ফলে ট্রাম্প ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমের বিরোধ আগামী দিনেও রাজনৈতিক ও আইনি আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।