




রথযাত্রা মানেই এক আলাদা নস্টালজিয়া। ছোটবেলায় বাড়ির দালানে বা উঠোনে বসে বাহারি পাতা আর ফুল দিয়ে জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রাকে সাজিয় তোলা আর তারপর রথের রশিতে টান আর

চাইনিজ খাবারের প্রতি বাঙালিদের একটা আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। চাইনিজ খেতে ও খাওয়াতে বাঙালি ভালোবাসে। বাঙালি খাবারের পরে মোগলাই ও চিনে খাবারই বাঙালির সবচেয়ে পছন্দের। আর

একাদশী Ekadashi একটি চান্দ্র তিথি। চাঁদের শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথি, হিন্দু ধর্মমতানুসারে পূণ্যতিথি হিসেবে বিবেচিত। হিন্দুধর্মমতে এ দিন বিধবাদের, বিশেষত উচ্চবর্ণীয় বিধবাদের নিরম্বু উপবাস

লোকায়ত প্রথা জামাইষষ্ঠী। ষষ্ঠীদেবীর পার্বণ থেকেই এই প্রথার উদ্ভব৷ বৈদিক সমাজ থেকেই জামাইষষ্ঠী পালিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ মাসের ষষ্ঠী তিথিতে প্রথম প্রহরে ষষ্ঠীদেবীর

আজ ২৫ বৈশাখ, কবির জন্মদিন। কবি-দার্শনিক, জীবন রসিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আদ্যোপান্ত খাদ্য রসিকও ছিলেন। খাবারে নানা পরীক্ষা নিরিক্ষা করতে ভালো বাসতেন। আর তাঁর এই রসনার যোগান

ইফতারে খেজুর না রাখলে কি চলে! এটি সুপারফুড হিসেবে বিবেচিত। সারাদিন না খেয়ে রোজা রাখার পর শরীরে দ্রুত অ্যানার্জি ফিরে পেতে ইফতারে খেজুর রাখার বিকল্প

তেঁতুল পছন্দ করে না এমন মানুষ পাওয়া খুব কঠিন। বিশেষ করে মেয়েদের খাবারের তালিকায় উপরের দিকেই পাওয়া যায় তেঁতুলের নাম। তবে ছেলে-মেয়ে উভয়ে তেঁতুল খেতে

পবিত্র মাহে রমজানে সুস্থ্ থাকতে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। রোজার মধ্যে ইফতার ও সেহরিতে মানসম্পন্ন খাবার খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। ইফতারে এমন কিছু

উত্তাপ ছড়াচ্ছে গরম। প্রচণ্ড দাবদাহে মানুষের নাজেহাল অবস্থা। এই সময় শরীর ঠান্ডা রাখতেই হবে। না হলে কাজে এনার্জি আসবে না। শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। তাই

মহিমান্বিত রাত শবেবরাতে ইবাদতের পাশাপাশি পরিবারের সবাইকে নিয়ে খাওয়াদাওয়ার রেওয়াজ আছে। আর যা-ই হোক, এদিন বাড়িতে সুজি, ডাল, গাজর বা পেঁপের হালুয়া থাকবেই। এসবের মধ্যে