কলকাতা: তৃণমূলের প্রতীক বিবাদে (TMC Symbol Row) প্রথম রাউন্ডে সম্ভবত জয়ী হতে চলেছে কালীঘাট শিবির। অন্তত রেজিনগর ও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে ঘাসফুল প্রতীক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই থাকার সম্ভাবনা ক্রমশ উজ্জ্বল হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে । নির্বাচন কমিশন এখনও পর্যন্ত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ না দেওয়ায় এই আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল।
শনিবার কালীঘাট ও ঋতব্রত— দুই শিবিরের বক্তব্যই শোনে নির্বাচন কমিশন। বৈঠকের পর ঋতব্রত শিবিরকে তাঁদের দাবির স্বপক্ষে কিছু নথি জমা দিতে বলেন জ্ঞানেশ কুমাররা। সেই নথির ভিত্তিতে আগামী ১৬ এবং ১৭ সেপ্টেম্বর ফের কালীঘাট শিবিরকে তলব করা হয়েছে [। সোশাল মিডিয়ায় এই তলবের কথা জানান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
১৬ ও ১৭ তারিখ ফের শুনানির কারণে কমিশনের পক্ষ থেকে ওই সময়ের আগে কোনো অন্তর্বর্তী রায় দেওয়ার সম্ভাবনা নেই। আর কমিশন কোনও নির্দেশ না দেওয়ায় ‘স্থিতাবস্থা’ বা ‘স্টেটাস কো’ বজায় থাকবে, যার ফলে লাভবান হবে কালীঘাট শিবির। যেহেতু ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে চেয়ারপার্সন হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ‘জোড়াফুল’ প্রতীক বিলি করেছিলেন, তাই উপনির্বাচনেও প্রতীক তাঁর দখলেই থাকবে বলে যুক্তি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এ ছাড়া কালীঘাট শিবিরের তরফে ডেরেক ও ব্রায়েন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানান যে, দলের সংবিধান অনুযায়ী ২০২৭ সালে চেয়ারপার্সন নির্বাচন হওয়ার কথা, ফলে দাপ্তরিকভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই তৃণমূলের একচ্ছত্র চেয়ারপার্সন। ডেরেকের এই চিঠির পরেই নতুন করে মমতা শিবিরকে তলব করেছে কমিশন।