Guwahati Horror: Man Who Kept Wife's Severed Head in Fridge Dies After Jumping From Police Vehicle

Guwahati গুয়াহাটি: ফ্রিজে স্ত্রীর কাটা মুন্ডু! গাড়ি থেকে লাফিয়ে মৃত অভিযুক্ত

অসমের গুয়াহাটিতে(Guwahati) এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তদন্তে চাঞ্চল্যকর মোড়। স্ত্রীর গলা কেটে খুনের পর কাটা মুন্ডু ফ্রিজে লুকিয়ে রাখার অভিযোগে ধৃত ব্যক্তি পুলিশের গাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় খাদে পড়ে মারা গিয়েছেন। সোমবার ভোরে গুয়াহাটিতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গুয়াহাটির বাসিন্দা রামানুজ গোস্বামী তাঁর স্ত্রী রিয়া তালুকদারকে (২৫) নিয়ে তীব্র সন্দেহ করতেন। অন্য এক যুবকের সঙ্গে স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে—এই সন্দেহের বশেই গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে বাড়িতে রামানুজ তাঁর স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করেন বলে অভিযোগ। দীর্ঘক্ষণ খোঁজ না পেয়ে এবং বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় গত ৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবেশীরা পুলিশকে খবর দেন। এরপর পুলিশ ওই বাড়িতে হানা দিয়ে ফ্রিজের ভেতর থেকে রিয়ার কাটা মুন্ডু এবং দেহের কিছু আঙুলের টুকরো উদ্ধার করে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার রাতেই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন অভিযুক্ত রামানুজ। আদালত তাঁকে সাত দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল।

তদন্তকারী অফিসারদের দাবি, সোমবার ভোরে রুটিন স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য রামানুজকে গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (GMCH) নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে থানায় ফেরার পথে নরকাসুর পাহাড় এলাকায় আচমকাই পুলিশের উপর চড়াও হন অভিযুক্ত। এসকর্ট ভ্যান থেকে পালানোর উদ্দেশ্যে চলন্ত গাড়ি থেকেই তিনি সজোরে ঝাঁপ দেন এবং পাহাড়ের গভীর খাদে গিয়ে পড়েন।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

স্থানীয় পুলিশ সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, গ্রেফতারির পর গত ৯ সেপ্টেম্বর রামানুজকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ক্রাইম সিন পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল। সেই সময়ও স্ত্রীর নৃশংস খুনের জন্য অভিযুক্তের মনে বিন্দুমাত্র অনুতাপ বা গ্লানি লক্ষ্য করা যায়নি। উল্টে জেরায় সে জানায়, জেল থেকে ছাড়া পেলে সে স্ত্রীর কথিত প্রেমিককেও খুন করবে। পুলিশ জানিয়েছে, জেরায় রামানুজ স্বীকার করেছে যে সে পুরোপুরি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। তার বাড়ি থেকে একাধিক মদের খালি বোতল এবং খুনে ব্যবহৃত রক্তমাখা ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

এই ধরনের চাঞ্চল্যকর অপরাধের খবরের ক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিনে বা গুগলে দ্রুত র‍্যাংক করার জন্য হেডিং এবং লেখার প্রথম প্যারায় সবসময় মূল কিওয়ার্ড যেমন—জায়গার নাম (গুয়াহাটি), ঘটনার মূল বিষয় (ফ্রিজে স্ত্রীর কাটা মুন্ডু) এবং অপরাধীর নাম (রামানুজ গোস্বামী) স্পষ্ট করে রাখতে হয়।