সুদানে ভয়াবহ খনি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন অন্তত ৮২ জন(Sudan Gold Mine Collapse)। ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও বহু শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে চিকিৎসকদের একটি সংগঠন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্ধারকাজ চলছে।
বুধবার এই দুর্ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসে। পশ্চিম কোরদোফান প্রদেশের নুহুদ শহরের কাছে আল-জারা সোনার খনিতে এই ধস নামে। এলাকাটি আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস বা আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে। গত তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে সুদানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে আরএসএফের সংঘর্ষ চলছে।
সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থলটি একটি অনিয়ন্ত্রিত সোনার খনি। সেখানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা সুরক্ষা সরঞ্জাম ছিল না। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
তবে স্থানীয় প্রশাসনের এক আধিকারিকের দাবি, ইতিমধ্যেই ৮২টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। আরও বহু শ্রমিক নিখোঁজ। রবিবার খনির একটি সুড়ঙ্গে ধস নামার পর পাশের সংযুক্ত সুড়ঙ্গগুলিতেও তা ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন তিনি।
উদ্ধারকাজেও বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে। ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য গোটা এলাকায় মাত্র একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন যন্ত্র রয়েছে। ফলে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানো সম্ভব হচ্ছে না।
অন্যদিকে, কোরদোফান অবজারভেটরি জানিয়েছে, ওই খনিতে অন্তত ৭০ জন শ্রমিক নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন। জীবিত উদ্ধার হওয়া শ্রমিক খাইর আল-সাইয়েদ গাবারা জানিয়েছেন, ধস ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও ঘটনাস্থলে ছিল না।