Real Madrid : ‘We are all mackerels’: Real Madrid defend Mbappe, Vinicius over Ceuta shirt

Real Madrid : সেউটা জার্সি বিতর্ক: খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার পক্ষে রিয়াল মাদ্রিদ

সোবহো, ১৬ সেপ্টেম্বর:

স্পেনের লা লিগায় এলচের বিপক্ষে ম্যাচের আগে একটি সংহতি বার্তার জার্সি পরাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছে রিয়াল মাদ্রিদ। ক্লাবের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, দলের তারকা ফুটবলারদের নিজস্ব ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি বা ভিন্ন মতামত প্রকাশ করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে এলচে ও রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যকার ম্যাচের আগে, যখন উভয় দলের খেলোয়াড়রা “Todos somos caballas” (আমরা সবাই ম্যাকারেল) লেখা বিশেষ জার্সি পরে মাঠে প্রবেশ করেন। স্পেনের সেউটা অঞ্চলের মানুষের ডাকনাম হলো ‘ক্যাবালাস’ বা ম্যাকারেল। গত জুলাই মাসে মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে সেউটা অঞ্চলে হাজার হাজার মানুষের অনিয়মিত প্রবেশের ঘটনার পর স্পজুড়ে এই সংহতি আন্দোলন শুরু হয়েছিল।

তবে মাঠে নামার সময় রিয়ালের ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে এবং ভিনিসিউস জুনিয়র তাদের জার্সিটি এমনভাবে গোটান বা ওপরে তুলে রাখেন যাতে জার্সির লেখাটি সম্পূর্ণ ঢেকে যায় এবং অদৃশ্য হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে টানেল ছাড়ার সময় তারা জার্সিগুলো পুরোপুরি খুলে ফেলেন। এমনকি তাদের সতীর্থ ইব্রাহিমা কোনাতে কেবল হাতে জার্সিটি ধরে রেখেছিলেন। এই দুই তারকা খেলোয়াড় কেন বার্তাটি প্রদর্শন না করার সিদ্ধান্ত নিলেন, তার কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রিয়াল মাদ্রিদের এক কর্মকর্তা জানান যে, এলচের পক্ষ থেকে সেউটা অঞ্চলের মানুষের প্রতি সংহতি প্রকাশের এই অনুরোধ ক্লাব সানন্দে গ্রহণ করেছিল। কিন্তু স্কোয়াডের ভেতরে ফুটবলারদের ভিন্ন মতামতের প্রতিও সমান শ্রদ্ধা রয়েছে। কোন খেলোয়াড় এই বার্তা প্রদর্শন করবেন বা করবেন না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা ব্যক্তিগতভাবে তাদের প্রত্যেকের ছিল।

উল্লেখ্য, এর আগে গত সপ্তাহে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচেও রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকরা গ্যালারিতে সেউটার পতাকা প্রদর্শন করে সংহতি জানিয়েছিল। বার্সেলোনা অবশ্য গত রবিবার লেভান্তের বিপক্ষে ম্যাচে এই জার্সি পরিধান না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। অন্যদিকে, রিয়াল বেটিসের হয়ে ভিয়ানিয়ালের বিপক্ষে মাঠে নেমে এই জার্সি পরায় মরক্কোর ফুটবলার এজ আবদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র নেতিবাচক মন্তব্যের মুখে পড়েন। তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, কোনো রাজনৈতিক বার্তা দিতে নয়, বরং একটি সমাজ ও সামাজিক মানবিক কারণেই তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন।