নয়াদিল্লি, ১৬ সেপ্টেম্বর: ইউপিআই লেনদেনে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বা এমডিআর চালুর সম্ভাবনার কথা গত বছর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। এক বছর কাটতে না কাটতেই বড় অঙ্কের ব্যবসায়িক ইউপিআই লেনদেনে ফি চালুর সিদ্ধান্ত ঘিরে সেই পুরনো বক্তব্যই নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বুধবার সমাজমাধ্যমে অর্থ মন্ত্রকের ২০২৫ সালের পোস্ট তুলে ধরে সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বহু ব্যবহারকারী।
২০২৫ সালের ১১ জুন অর্থ মন্ত্রকের সরকারি এক্স হ্যান্ডলে বলা হয়েছিল, ইউপিআই লেনদেনে এমডিআর নেওয়া হবে—এমন খবর ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর’। এমন জল্পনা সাধারণ মানুষের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় অনিশ্চয়তা, ভয় ও সন্দেহ তৈরি করে বলেও জানিয়েছিল মন্ত্রক। ইউপিআইয়ের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তখন জানানো হয়েছিল।
এ বার অবশ্য ২ হাজার টাকার বেশি মূল্যের ব্যবসায়িক ইউপিআই লেনদেনে ১৫ অক্টোবর থেকে ০.৪ শতাংশ ফি চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রায় ছ’বছর সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ইউপিআই ব্যবহারের পর এই পরিবর্তন কার্যকর হতে চলেছে। তবে সাধারণ ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির লেনদেন এবং ছোট অঙ্কের পেমেন্টে কোনও ফি থাকছে না বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রক। গ্রাহকদের সরাসরি এই ফি দিতে হবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে সংসদেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধী সাংসদদের একাংশ। অর্থ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ভর্তৃহরি মহতাব জানিয়েছেন, বৈঠকে কয়েক জন সাংসদ বিষয়টি তুলেছেন এবং পরবর্তী বৈঠকে তা আলোচনায় আসতে পারে। আরএসপি সাংসদ এন কে প্রেমচন্দ্রন সিদ্ধান্তটিকে ‘জনবিরোধী’ বলে মন্তব্য করেছেন।