The NewsNest Desk : দিল্লিতে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে আটক হওয়ার পর শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন কক্রোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শনিবার তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। জামিনের শর্ত হিসেবে তাঁকে শান্তি বজায় রাখার বন্ডে সই করতে বলা হয়েছে। ১০ অক্টোবর দেওয়া বন্ডের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে শনিবার সকালে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রের খবর।
দিল্লিতে প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অভিজিৎ দীপকের আটক ও পরবর্তী সময়ে জামিনের ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ঠিক কোন শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছিল, তা নিয়ে বিস্তারিত লিখিত নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।
শান্তি বজায় রাখার বন্ড ঘিরে পদক্ষেপ
এক প্রবীণ পুলিশ আধিকারিক সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, শান্তি বজায় রাখার বন্ডে দেওয়া আশ্বাসের ভিত্তিতে অভিজিৎ দীপকেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে লিখিত নির্দেশের অপেক্ষা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
পুলিশ সূত্রে খবর, ১০ অক্টোবর অভিজিৎ একটি শান্তি বজায় রাখার বন্ডে সই করেছিলেন। সেই বন্ডের শর্ত ভঙ্গ করার অভিযোগেই শনিবার সকালে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পরে শর্তসাপেক্ষে জামিন মঞ্জুর করা হয়। তবে লিখিত নির্দেশ হাতে না আসা পর্যন্ত জামিনের সমস্ত শর্ত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য স্পষ্ট নয়।
কেন আটক করা হয়েছিল CJP প্রতিষ্ঠাতাকে?
শুক্রবার দিল্লির ঝান্ডেওয়ালান এলাকার বাড়ি থেকে বেরিয়ে কনট প্লেসে দলের নির্ধারিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন অভিজিৎ দীপকে। কক্রোচ জনতা পার্টির ওই কর্মসূচির নাম ছিল ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ (Lehra Do Tiranga)। কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার পথেই তাঁকে আটক করা হয়।
এর পর শনিবার সকালে শান্তি বজায় রাখার বন্ড লঙ্ঘনের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পরে শর্তসাপেক্ষে জামিন পাওয়ায় আপাতত মুক্তি পেলেন CJP প্রতিষ্ঠাতা।
পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর
অভিজিৎ দীপকের জামিনের বিষয়ে পুলিশের লিখিত নির্দেশ সামনে এলে তাঁর মুক্তির নির্দিষ্ট শর্ত এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে। আপাতত পুলিশ সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বন্ডে দেওয়া আশ্বাসের ভিত্তিতেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার পথে আটক, বন্ড লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেফতার এবং তার পরেই শর্তসাপেক্ষে জামিন—পরপর এই ঘটনাগুলিই এখন CJP প্রতিষ্ঠাতাকে ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।