




রামপুরহাট কাণ্ডের পর সরগরম পরিস্থিতি রাজ্য-রাজনীতিতে।এমন গণহত্যার রেশ ছড়িয়েছে রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে দেশেও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্য করেছেন, ‘এক জঘন্য অপরাধের ঘটনা ঘটেছে

রামপুরহাটের বগটুইয়ের নৃশংসতার রেশ কাটেনি। তারইমধ্যে নদিয়ার হাঁসখালিতে গুলিবিদ্ধ হলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা। বুধবার রাতে কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন সহদেব মণ্ডল। তাঁর স্ত্রী অনিমা হাঁসখালি পঞ্চায়েতের তৃণমূলের

শ্বশুর বাড়ি বেড়াতে যাওয়াই হল কাল।বীরভূম (Birbhum)অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুড়ে মৃত্যু হল নব দম্পতির। চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি বিয়ে হয় কাজি সাজিদুল রহমান ও মার্জিনা খাতুনের।

রামপুরহাটের বগটুইয়ের অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত হওয়া ৮ জনের দেহ সমাধিস্থ করা হল। মঙ্গলবার রাতে বীরভূমের জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে সমাধিস্থ করা হয় ওই দেহগুলি।

রামপুরহাট কাণ্ডের প্রায় ৩৬ ঘণ্টা বাদে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। এই ‘জঘন্য ঘটনা’য় দুঃখপ্রকাশ করেও আপাতত রাজ্য সরকারর উপরই আস্থা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী।

রাজ্যের ভেঙে পড়া আইনশৃঙ্খলার অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের স্লোগান দিতে দিতে কলকাতা থেকে বাসে করে রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের পথে রওনা দিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়করা। কিন্তু সেখানে

বীরভূমের রামপুরহাটে (Rampurhat Arson) যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। বৃহস্পতিবার বগটুই গ্রামে যাবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, বুধবারই তিনি সেখানে যেতেন, কিন্তু এইদিন সেখানে

ছোট থেকে এই গ্রামেই বড় হয়েছিলেন। পরে রাজনৈতিক নেতা হওয়ার সুবাদে এই গ্রামেই প্রতিপত্তি হয় ভাদু শেখের। সোমবার রাতে রামপুরহাটের বগটুই মোড়ে সেই তৃণমূল উপপ্রধান

বীরভূম জেলার রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের হিংসার ঘটনায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্র। মঙ্গলবার এমনটাই দাবি করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে

রামপুরহাটে ঘটনার তদন্তে সিট গঠনের নির্দেশ দিল রাজ্য। এই তদন্তকারী দলে রয়েছেন এডিজি সিআইডি জ্ঞানবন্ত সিংহ। এডিজি পশ্চিমাঞ্চল সঞ্জয় সিং এবং জিআইজি সিআইডি (অপারেশন) মিরাজ