




আর মাত্র কয়েকঘণ্টার অপেক্ষা। পুন্যস্নানের আশায় সাগরে লক্ষ লক্ষ পুন্যার্থীর ভিড়। শনিবার পর্যন্ত গঙ্গাসাগর মেলায় আগত তীর্থযাত্রীদের সংখ্যা হয়েছে ৬৫ লক্ষ। ঠান্ডায় কাঁপছে গঙ্গাসাগর। গত

রাম মন্দির উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে দেশ জুড়ে রয়েছে উৎসাহ উদ্দীপনার পরিবেশ। প্রতিটি মানুষ অধীর আগ্রহে এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করছেন। রাম ভক্তরা অযোধ্যায় পৌঁছানোর জন্য

এমন কাজ করে চলো যে তুমি হাসতে হাসতে মরবে আর জগৎ তোমার জন্য কাঁদবে।’ ‘ওঠো, জাগো এবং তোমার লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত থেমো না।’

আগামী মাসেই গঙ্গাসাগর মেলা উপলক্ষে পুণ্যার্থীর ভিড় বাড়বে সাগরে। সংক্রান্তির আগে থেকেই শুরু হয়ে যাবে মেলা। আজ, বুধবারই তারই প্রস্তুতি বৈঠক হয়ে গেল নবান্নে। মুখ্যমন্ত্রী

ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেল ইফতার। পবিত্র রমজান মাসের ইফতারকে ‘ইন্ট্যানজিবল সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো। ইসলাম ধর্মালম্বীদের জন্য

বাংলার নদীয়ার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র প্রথম জগদ্ধারতি পূজা শুরু করেছিলেন। জগদ্ধাত্রী পূজা কৃষ্ণনগর, রিষড়া, চন্দননগর, ভদ্রেশ্বর, হুগলি, বয়ঞ্চিতে খুবই জনপ্রিয়।পূজাটি পরে চন্দননগরের বর্তমান অবস্থানে স্থানান্তরিত করা হয়, যেখানে এখন

কালীপুজো এবং দীপাবলির পর এ বার ভাইফোঁটার পর্ব। মহালয়ার পর থেকে যে শারদোৎসব শুরু হয়, তার শেষ লগ্নের সূচনা এই ভ্রাতৃদ্বিতীয়াতেই৷ কার্তিকের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে

প্রতি বছরের মত এবারও কালীপুজো ঘিরে সেজে উঠেছে ৫১ সতীপীঠের অন্যতম অসমের কামাখ্যা। এখানে মায়ের যোনি পড়েছিল বলে কথিত আছে। মা কামাখ্যা এখানে পূজিতা হন

বহু পরিশ্রম করছে। কিন্তু অভাব কাটছে না। লেগেই থাকছে অর্থাভাব । অর্থের অভাব দূর করতে মা লক্ষ্মীর আরাধনা করুন । মা লক্ষ্মীকে বলা হয় সম্পদের

দশমী মানেই উমার কৈলাসে ফেরার পালা। চারিদিকে বিষাদের সুর। ভারাক্রান্ত মন নিয়েই সকলে ঘরের মেয়েকে বিদায় জানায়। উৎসবপ্রেমী বাঙালির সবচেয়ে বড় পার্বণ এই দুর্গা পুজো।