




শাস্ত্র মতে আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষের অমাবস্যা পর্যন্ত শ্রাদ্ধপক্ষ অর্থাৎ এই পনেরো দিনে পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে বিধি বৎ তাদের জন্য শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠান করা হয়ে থাকে। এই

এবার শারদীয়া নবরাত্রি ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে চলবে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত। এই ৯ দিন, দেবী দুর্গা আচার অনুযায়ী পূজা করা হয়। এটা বিশ্বাস করা

শাস্ত্র মতে, এবছর ১৭ সেপ্টেম্বর ৩১ ভাদ্র পড়েছে বিশ্বকর্মা পুজো। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে, বিশ্বকর্মা পুজোর তিথি (ভাদ্র কৃষ্ণপক্ষ) সপ্তমী দিবা ঘটিকা ২টো ১৫ মিনিট

শাস্ত্রমতে, সনাতন ধর্মে ব্রহ্মযজ্ঞ, পিতৃযজ্ঞ, দেব যজ্ঞ, ভূতযজ্ঞ ও মনুষ্যযজ্ঞ বলা হয়েছে। এটা বিশ্বাস করা হয় যে এই ৫ ধরনের যজ্ঞ মানুষের জন্য প্রয়োজনীয়। এর

বৈদিক ক্যালেন্ডার মতে ১০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে পিতৃপক্ষ। ১৫ দিন ধরে চলবে এই পক্ষ। আর পিতৃপক্ষের অবসানে আসবে দেবীপক্ষ। শাস্ত্র মতে মনে করা হয়,

পুজোয় নতুন জামা কেনার আগে এবারের নিজের পছন্দের রং বা এবারের পুজোয় কোন রং বেশি ট্রেন্ডিং – সে সব তো মাথায় রাখবেনই। তার সঙ্গে কোন

হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে, প্রতি বছর ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে গণেশ চতুর্থীর পবিত্র উত্সব পালিত হয়। এই দিন থেকেই গণেশ উৎসব শুরু হয়। এই উৎসব

প্রতি বছর ভাদ্রপদ মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে জন্মাষ্টমী পালিত হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, এবার জন্মাষ্টমী পালিত হবে দুই দিন। এমন পরিস্থিতিতে ব্রত নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়ছেন মানুষ।

জ্যোতিষ অনুযায়ী রাখির সময় কিছু পুজো উপকরণের ব্যবহার অপরিহার্য। তা না-হলে রাখি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। শাস্ত্র মতে এই জিনিসগুলি রাখলে ভাই দীর্ঘায়ু লাভ করে পাশাপাশি

হিন্দু ধর্মে (Hinduism) রাখি বন্ধন (Raksha Bandhan) এক পবিত্র উৎসব (Holy Festival)। ভাই ও বোনের (Siblings) অটুট বন্ধনের প্রতীক রাখি (Rakhi)। এই দিনে বোনেরা নানা আকারের