




মণিপুরে অশান্তি থামাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী পুরোপুরি ব্যর্থ বলে অভিযোগ তুলে নিজের দলকেই কাঠগড়ায় তুললেন মণিপুরের বিজেপি বিধায়ক রাজকুমার ইমো সিং। সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন

গরু পাচারকারী সন্দেহে দ্বাদশ শ্রেণির এক পড়ুয়াকে গুলি করে খুন করল স্বঘোষিত গোরক্ষক দল। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে হরিয়ানার ফরিদাবাদে। ১৯ বছর বয়সি ওই তরুণের

আর জি করের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় সারা দেশ। ন্যায় বিচারের দাবিতে চলছে আন্দোলন। এরইমধ্যে আইআইটি বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি (বিএইচইউ) ক্যাম্পাসে এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ মামলায় তিন

আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় সারা দেশ যখন তোলপাড়, মহিলাদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। দিল্লিতে জেলা বিচার বিভাগের জাতীয়

১৯৩৭ সালে মুসলিম লিগের আমলে যে নিয়ম লাগু হয়েছিল অসম বিধানসভায়, ২০২৪ সালে সেই নিয়মে দাঁড়ি টানল হিমন্ত সরকার। জুম্মার নমাজের জন্য ২ ঘণ্টার বিরতির

মাকে হত্যা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন বছর একুশের যুবক। লিখলেন, ‘দুঃখিত মা, তোমাকে খুন করলাম। তোমাকে মিস করব।” আরও একটি পোস্টে পরে তিনি লেখেন,

গো মাংস খাওয়ার ‘অপরাধে’ বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল। মৃত তরুণের পরিবারের তরফে দক্ষিণ ২৪ পরগনার

বছরখানেক আগে ভারতের ধনীতম শিরোপা হাতছাড়া হয়েছিল। হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টের জেরে হুহু করে কমছিল সম্পদের পরিমাণ। তবে বছর ঘোরার সঙ্গে পালটেছে সময়। ফের দেশের ধনীতম ব্যক্তি

আর জি করে ডাক্তার-ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার পরেও মহিলা ডাক্তারদের উপর হামলার মতো ঘটনাও ঘটল তিরুপতিতে। শ্রীবেঙ্কটেশ্বর ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসে এক জুনিয়র ডাক্তারের

আবারো ‘কুকথায় পঞ্চমুখ’ হলেন বিজেপি সাংসদ-অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। লাগাতার খুন, মহিলাদের ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটেছে আন্দোলন চলাকালীন। নরেন্দ্র মোদীর সরকার কৃষক আন্দোলন নিয়ে কঠোর না