




গরু পাচারকারী সন্দেহে দ্বাদশ শ্রেণির এক পড়ুয়াকে গুলি করে খুন করল স্বঘোষিত গোরক্ষক দল। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে হরিয়ানার ফরিদাবাদে। ১৯ বছর বয়সি ওই তরুণের

লালবাজারের দোরগোড়া পর্যন্ত আন্দেলনকারীদের মিছিল করে যাওয়ার অনুমতি দিল পুলিশ। আন্দোলনরত চিকিৎসকদের দাবি ছিল বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট ও বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের সংযোগস্থল পর্যন্ত তাঁদের এগোতে

অবশেষে গ্রেপ্তার আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। টানা ১৫ দিন জেরার পর সোমবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। জানা গিয়েছে,

‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’-এর আহ্বায়ক সায়ন লাহিড়ীর জামিনের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিল রাজ্য সরকার। সেই মামলা খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। বহাল রইল

স্রেফ সন্দেহ হয়েছিল গোমাংস ভক্ষণের, অভিযোগ তার জেরেই পিটিয়ে খুন(Mob lynching) করা হয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর সাবির মল্লিককে(migrant worker)। তার জন্য পথে নামেনি কেউ।।

আর জি করের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় সারা দেশ। ন্যায় বিচারের দাবিতে চলছে আন্দোলন। এরইমধ্যে আইআইটি বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি (বিএইচইউ) ক্যাম্পাসে এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ মামলায় তিন

বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হল তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। বললেন, ‘‘আমি নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইছি। যদি ওই মন্তব্যে কারও আঘাত লেগে থাকে,

আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় সারা দেশ যখন তোলপাড়, মহিলাদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। দিল্লিতে জেলা বিচার বিভাগের জাতীয়

১৯৩৭ সালে মুসলিম লিগের আমলে যে নিয়ম লাগু হয়েছিল অসম বিধানসভায়, ২০২৪ সালে সেই নিয়মে দাঁড়ি টানল হিমন্ত সরকার। জুম্মার নমাজের জন্য ২ ঘণ্টার বিরতির

মাকে হত্যা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন বছর একুশের যুবক। লিখলেন, ‘দুঃখিত মা, তোমাকে খুন করলাম। তোমাকে মিস করব।” আরও একটি পোস্টে পরে তিনি লেখেন,