




শৌচালয়ে বোমা ফেটে মৃত্যু হল এক কিশোরের। সোমবার সকালে বনগাঁর বকশিপল্লিতে এই দুর্ঘটনায় ১০ বছরের এক বালকের মৃত্যু হয়েছে। সকালে শৌচকর্ম করতে গিয়েছিল ওই কিশোর।

বালেশ্বরের তিন ট্রেনের দুর্ঘটনার পর তিনদিনও কাটেনি। লাইন পুনরুদ্ধারের পর, সেই লাইন দিয়ে যাত্রাও শুরু করেছে ট্রেন। এর মধ্যে সোমবার ফের ওড়িশাতেই লাইনচ্যুত হল একটি

ধর্ষিতা মাঙ্গলিক কি না, তা জানাতে জ্যোতিষ বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। এই ‘অপ্রাসঙ্গিক’ নির্দেশকে খারিজ করে বিচারের দরবারকে বড় লজ্জার হাত থেকে বাঁচাল সুপ্রিম কোর্ট।

তীব্র গরমে হাঁসফাঁস গোটা রাজ্য। এর মধ্যেই স্বস্তির বার্তা দিল হাওয়া অফিস। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। যদিও হালকা। উত্তরের কিছু অংশেও হতে

পিছমোড়া করে বাঁধা হাত-পা। চলছে দমাদম মার। মারতে মারতে কেউ বলছেন, ‘‘একদম মেরে দেব।’’ মারের চোটে যন্ত্রণায় চেঁচাচ্ছেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু রেহাই নেই। মাথা ফেটে

বাংলার বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনায়। এই আবহে বাংলার সরকার গতকালই নবান্নে কন্ট্রোল রুম খুলেছে। আজকে একটি বিবৃতি জারি করে সরকারের তরফে আরও

ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে চেন্নাইগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেস। এর জেরে হাওড়া থেকে দক্ষিণ ভারতগামী সমস্ত ট্রেন বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশাগামী ট্রেনও

ওড়িশায় ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ হিসাবে উঠে এল সিগন্যালের ত্রুটি। রেলের তরফে একটি যৌথ পরিদর্শন রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর ওই যৌথ রিপোর্টে সিগন্যালের

করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত এবং আহতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২৩৮। আহত ৯০০ জনেরও বেশি। আশঙ্কা করা হচ্ছে ,

ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে দুর্ঘটনায় চেন্নাইগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেস। ট্রেনটির একাধিক কামরা বেলাইন হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে প্রাথমিক ভাবে জানা