




ডায়মন্ড হারবার লোকসভায় রেকর্ড অভিষেকের। বলেছিলেন, ৫ লাখের মার্জিনে জিতবেন। জিতলেন ৭ লাখ ৭ হাজার ৪২৫ ভোটে! দেশে রেকর্ড! জয়ের ব্যবধানে ‘দেশে সর্বোচ্চ’ মার্জিনে জয়ী

‘চারশো পার’-এর গর্জন যতটা জোরালো ছিল, ভোটবাক্সে বর্ষণ ততটা হয়নি। ৩০০ আসনও পায়নি এনডিএ জোট। বিজেপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা তো দূরের কথা। সরকার গড়ার জন্য শরিক

খোদ রামভূমিতে (Ayodhya) বিজেপির হার। ফৈজাবাদ আসনে, সমাজবাদী পার্টির অবধেশ প্রসাদ (Awadhesh Prasad) বিজেপি প্রার্থী লাল্লু সিংকে ৪৮১০৪ ভোটে পরাজিত করেছেন। চলতি বছরেরই জানুয়ারি মাসে অযোধ্যায় রাম

এক দশক পর দেশে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি বিজেপি। আপাতত ২৩১-এ থামতে হয়েছে তাদের। দেশের জনতার রায়ে খুশি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই

ব্র্যান্ড মোদীতে চিড় ধরলেও লোকসভায় জয়ের হ্যাট্রিক করতে চলেছে এনডিএ জোট। তথাপি ভাঙল না রায়বরেলির মিথ! জয়ী হলেন রাহুল (Rahul Gandhi)। গান্ধী পরিবারের তৃতীয় প্রজন্ম।

হেভিওয়েট আসনগুলির মধ্যে বারাণসী কেন্দ্রটি যেন মধ্যমণি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আসন। তৃতীয়বারের জন্য এই কেন্দ্র থেকে জিতে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসা নিয়ে বরাবরই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন মোদী।

ফিকে হলেন স্মৃতি। উত্তরপ্রদেশের আমেঠি গড় পুনরুদ্ধারের পথে কংগ্রেস। আমেঠি লোকসভা কেন্দ্রে স্মৃতি ইরানির থেকে ১ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন কিশোরীলাল শর্মা।

টানা ২৫ বছর পর বহরমপুর ‘হাত’ছাড়া। অধীর চৌধুরী ভূপতিত। তা-ও রাজনীতির মাঠে নেহাতই আনকোরা ইউসুফ পাঠানের বিরুদ্ধে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে জয় পেতে বামদের সঙ্গে

পরাজিত দিলীপ ঘোষ।। ‘আদি’ বিজেপি শিবিরে সবচেয়ে শোকের খবর এটাই। আসন বদলের পরে প্রথম দিকে মনমরা থাকলেও দিলীপ নিজে এবং তাঁর অনুগামীরা আশা করেছিলেন সহজ

৪০০ পারের স্লোগান দিয়েও ৩০০-র আগেই আটকে গেল এনডিএ। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে চলেছে বিজেপি। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ভোটগণনার ঘোষিত ফলাফল এবং প্রবণতা অনুযায়ী -বিজেপি একক