Ed Sheeran: Ed Sheeran's career crisis deepens as he faces boycott calls over Gaza stance

Ed Sheeran: ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে নীরব, সংকটে পপ তারকা এড শিরানের কেরিয়ার

লন্ডন, ১৮ সেপ্টেম্বর: গাজায় ইসরায়েলি হামলা এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে নীরব থাকার অভিযোগে ব্রিটিশ পপ তারকা এড শিরানের বিরুদ্ধে বয়কটের ডাক ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। তাঁর সফরে অংশ নেওয়া একাধিক শিল্পী সরে দাঁড়ানোয় গায়কের পেশাগত ভাবমূর্তি নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

শিরানের চলতি ‘লুপ ট্যুর’-এর অংশ হিসেবে ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে তাঁর সঙ্গে মঞ্চে উঠেছিলেন র‍্যাপার ম্যাকলমোর। ওই দুই অনুষ্ঠানে ম্যাকলমোর প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে কথা বলেন এবং ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগান দেন। এরপরই পরবর্তী কনসার্টগুলি থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয় বলে জানা যায়।

এই ঘটনার পর শিরানের বিরুদ্ধে বন্ধুর পাশে না দাঁড়ানো, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা না করা এবং নীতির চেয়ে বাণিজ্যিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। গায়ক ফিনিয়াস সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, নিপীড়িত মানুষের পক্ষে কথা বলার জন্য শিল্পীদের নীরব করা উচিত নয়। তাঁর সঙ্গে আরও তিনজন সহযোগী শিল্পী শিরানের সফর থেকে সরে দাঁড়ান।

ব্রিটিশ গায়ক-গীতিকার বিলি ব্র্যাগ বলেন, শিরানের উচিত নিজের অহং পাশে রেখে সফর বাতিল করা। সাংস্কৃতিক বয়কটের পক্ষে প্রচার চালানো ফিলিস্তিনি সংগঠন প্যাকবিও ম্যাকলমোরকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে এবং সফরের সঙ্গে যুক্ত শিল্পী, দর্শক ও কর্মীদের বয়কটের আহ্বান জানিয়েছে।

শিরান অবশ্য দাবি করেছেন, তিনি তাঁর পেশাগত মঞ্চকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করেন না। তবে তাঁর এই দাবিকে পণ্ডশ্রম বলে উড়িয়ে দিয়েছেন সমালোচকরা। এর আগে ইউক্রেন সংকট বা ব্রেক্সিট ইস্যুতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেও গাজার চলমান পরিস্থিতিতে তাঁর এই নিরবতা দ্বিমুখী নীতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। সমালোচকদের বক্তব্য, গাজা নিয়ে নীরব থাকাও আসলে একটি রাজনৈতিক অবস্থান। কোটিপতি মালিকদের চাপে শিরান মুক্তবাক স্বাধীনতা রক্ষা না করে মুনাফাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। তাঁদের মতে, শিল্পীরা যখন নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কথা বলেন, তখন সমর্থন করা নৈতিক দায়িত্ব।