স্তনের আকার নিয়ে অনেকের মধ্যেই নানা ধরনের দুশ্চিন্তা বা অস্বস্তি থাকতে পারে। সেই কারণে ছোট স্তন বড় করার উপায় খুঁজতে গিয়ে ইন্টারনেটে বিভিন্ন ঘরোয়া পদ্ধতির কথা দেখা যায়। কিন্তু স্তনের আকার বাড়ানোর ক্ষেত্রে সব ধরনের ঘরোয়া পদ্ধতির কার্যকারিতার পক্ষে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
স্তনের আকার মূলত জেনেটিক্স, হরমোন, শরীরের ওজন, বয়স এবং শরীরে থাকা ফ্যাট টিস্যুর মতো বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে। তাই কোনও নির্দিষ্ট খাবার বা তেল নিয়মিত ব্যবহার করলেই স্তনের আকার স্থায়ীভাবে বেড়ে যাবে—এমন প্রমাণ নেই।
অনেকে breast massage-কে স্তনের আকার বাড়ানোর ঘরোয়া উপায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তেল দিয়ে হালকা ম্যাসাজ ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে বা সাময়িকভাবে রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। তবে এর ফলে স্তনের আকার স্থায়ীভাবে বেড়ে যায়, এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।
আরও পড়ুন : Etiquette: বাড়ছে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের বহর, কমছে সহবত
একইভাবে মৌরী, ফেনেল বা বিভিন্ন ভেষজ তেল ব্যবহার করে breast enlargement করা যায়—এমন দাবির পক্ষেও পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। হরমোনের মাত্রা পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে নিজের মতো করে কোনও ভেষজ বা সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করাও নিরাপদ নয়।
দুধ, ফলমূল, প্রোটিন, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার অবশ্যই শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কোনও নির্দিষ্ট খাবার খেলেই স্তনের আকার বাড়বে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
অন্যদিকে, নিয়মিত ব্যায়াম বুকের নীচের পেশি বা পেক্টোরাল মাংসপেশি শক্তিশালী করতে পারে। পুশ-আপ, চেস্ট প্রেসের মতো ব্যায়ামে বুকের পেশির গঠন কিছুটা উন্নত হতে পারে। তবে এগুলি স্তনের টিস্যু সরাসরি বড় করে না।
আরও পড়ুন : ISKON : শ্রীল প্রভুপাদের খুব শক্তিশালী উক্তি ও নির্দেশনা
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, স্তনের আকার স্বাভাবিকভাবেই একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়। তাই শুধু আকারের ভিত্তিতে স্তনের স্বাস্থ্য বিচার করা ঠিক নয়। স্তনে হঠাৎ কোনও পরিবর্তন, গাঁট, অস্বাভাবিক ব্যথা, নিঃসরণ বা ত্বকের পরিবর্তন দেখা দিলে ঘরোয়া পদ্ধতির বদলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।