Rishi Sunak: Rishi Sunak warns against linking skin colour with British nationality and identity

Rishi Sunak: ‘বাদামি হিন্দু’ বলে কি ইংরেজ হওয়া যায় না? ত্বকের রঙ ও জাতীয়তা নিয়ে সরব ঋষি সুনক

লন্ডন, ২১ সেপ্টেম্বর: ত্বকের রঙ দিয়ে কারও জাতীয়তা বা ব্রিটিশ পরিচয় বিচার করা উচিত নয়। ব্রিটেনে জাতি, ধর্ম ও পরিচয় নিয়ে ফের বিতর্কের আবহে এমনই মন্তব্য করলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। তাঁর বক্তব্য, কোনও ব্যক্তি কত দিন আগে ব্রিটেনে এসেছেন বা তাঁর গায়ের রং কী—তার ভিত্তিতে তিনি কতটা ‘ব্রিটিশ’, তা বিচার করা উচিত নয়।

সম্প্রতি লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের কোডরি বক্তৃতা দেওয়ার পর ‘সানডে টাইমস’-এর নিয়মিত কলামে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন সুনক। তাঁর দাবি, ব্রিটেনের বহুধর্মীয় ও বহু-জাতিগোষ্ঠীর গণতন্ত্রের অন্যতম সাফল্য হল বিভিন্ন পরিচয়ের মানুষকে একই জাতীয় পরিচয়ের অংশ করে নেওয়া।

১৯৯০ সালে রক্ষণশীল নেতা নরম্যান টেবিট যে ‘টেবিট টেস্ট’-এর কথা বলেছিলেন, তার প্রসঙ্গও টানেন সুনক। সেই ধারণায় অভিবাসীদের ইংল্যান্ডের ক্রিকেট দলকে সমর্থন করার বিষয়টিকে ব্রিটিশ সমাজে তাঁদের একীভূত হওয়ার মাপকাঠি হিসেবে দেখা হয়েছিল। সুনকের বক্তব্য, সেই পরীক্ষায় অন্তত যে কেউ উত্তীর্ণ হতে পারতেন—ইংল্যান্ডকে নিজের দেশ মনে করে সমর্থন করলেই যথেষ্ট ছিল। কিন্তু বর্তমানে কিছু মানুষের বক্তব্যে এমন একটি ‘রিভার্স টেবিট টেস্ট’ তৈরি হয়েছে, যেখানে গায়ের রং সাদা না হলে কেউই পুরোপুরি ইংরেজ হিসেবে স্বীকৃতি পাবেন না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

নিজের পরিচয় তুলে ধরে সুনক বলেন, তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত, হিন্দু এবং ইংল্যান্ডে জন্মানো একজন ব্রিটিশ নাগরিক। তাঁর কথায়, রাজনীতিতে জাতিগত পরিচয়কে ফের গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা উচিত নয় এবং ব্রিটিশদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করা থেকেও বিরত থাকা প্রয়োজন। ব্রিটেনে অভিবাসন ও পরিচয় নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হওয়ার মধ্যেই সুনকের এই মন্তব্য সামনে এল।